Bio: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (১৯০৮-১৯৫৬) ছিলেন বাংলা সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তাঁর প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যে মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ও বাস্তবতাবাদকে তুলে এনেছেন। তাঁর প্রথম উপন্যাস পুতুলনাচের ইতিকথা এবং পদ্মানদীর মাঝি বাংলা সাহিত্যের অমর সৃষ্টি। অর্থকষ্ট ও রাজনৈতিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে তিনি মার্কসবাদী আদর্শ গ্রহণ করেন। ছোটগল্প ও উপন্যাসের মাধ্যমে গ্রামবাংলার নিঃস্ব, শোষিত মানুষের জীবন তুলে ধরেছেন।
Explore the amazing stories and works of Manik Bandyopadhyay. Listen to the captivating tales and experiences shared by the author.
সর্পিল গল্পটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি গভীর মনস্তাত্ত্বিক রচনা, যেখানে সমাজের অবক্ষয় ও ব্যক্তির দ্বন্দ্ব ফুটে উঠেছে। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র এক যুবক, যে জীবনযুদ্ধে ক্লান্ত ও হতাশ। সে বারবার ব্যর্থতার সম্মুখীন হয় এবং সমাজের অন্যায়-অবিচারের শিকার হয়। তার মানসিক অবস্থা সর্পিল পথে এগিয়ে চলে, যেখানে আশা ও হতাশার দোলাচল স্পষ্ট। গল্পের প্রতিটি বাঁকে জীবনের নিষ্ঠুর বাস্তবতা প্রতিফলিত হয়। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় এখানে মানুষের অন্তর্দ্বন্দ্ব, বেঁচে থাকার সংগ্রাম এবং নিয়তির অমোঘ পরিণতির চিত্র এঁকেছেন, যা পাঠককে গভীরভাবে ভাবায়।
Listen Now
বাস্তব চিত্র, জীবন সংগ্রামের করুণ রস ফুটিয়ে তুলেছেন মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়... তাঁর জনপ্রিয় গল্প 'নেকী'র শেষ কীভাবে হল?
Listen Now
অতসী মামি’ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম গল্পসংগ্রহ। এতে অন্তর্ভুক্ত গল্পগুলো হলো যথাক্রমে অতসী মামি, নেকি, বৃহত্তর মহত্তর, শিপ্রার অপমৃত্যু, সর্পিল, পোড়াকপালি, আগন্তুক, মাটির সাকি, মহাসংগম এবং আত্মহত্যার অধিকার। মানিক বন্দ্যোপ্যাধয় তাঁর লেখক-জীবনের উত্তরকালে অতসী মামি সম্পর্কে তাঁর ‘উপন্যাসের কথা, প্রবন্ধে লিখেছেন: অতিজানা অতিচেনা মানুষকে করেছিলাম অতসী মামির নায়ক-নায়িকা। সত্যই চমৎকার বাঁশি বাজাতেন চেনা মানুষটি, বেশি বাজালে মাঝে মাঝে সত্যই তাঁর গলা দিয়ে রক্ত পড়ত এবং সত্যই তিনি ছিলেন আত্মভোলা খেয়ালি প্রকৃতির মানুষ। ভদ্রলোকের বাঁশি বাজানো সত্যই অপছন্দ করতেন তাঁর স্ত্রী। মাঝে মাঝে কেঁদে কেটে অনর্থ করতেন।.... কারণ, কাহিনি রূপকথা হলেও নায়কনায়িকা জীবন্ত মানুষ, উদ্ভটভাবে হলেও কাহিনিতে প্রতিফলিত হয়েছে মাটির পৃথিবীর দুটি মানুষের বাস্তব এক অনবদ্য মর্মস্পর্শী প্রেমের গল্প।
Listen Now